যাবতীয় প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা সকল মহাবিশ্বের প্রভুর জন্য । তিনি আর-রাহমান, আর-রাহীম। প্রতিফল দিবসের মালিক। আমরা শুধু তারই ’ইবাদাত করি, শুধু তার কাছেই সাহায্য চাই। [ সুরা আল-ফাতিহহ ১:২-৫ ]
দৈনন্দিন জীবনে প্রায়ই আমরা নানা দুর্ভোগের মুখোমুখি হই। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের দুঃশ্চিন্তাও কম নয়। যখনই আমরা এ ধরনের কষ্টকর কোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হই আমরা সেখান থেকে উত্তরণের পথ খুজি। চাই যেকোনো উপায়ে এসব কষ্ট, যন্ত্রণা, দুর্র্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে।
সত্যিকার অর্থেই কেউ যদি এসব দুর্দশা দূর করে মনে স্বস্তি এনে দিতে পারে তাহলে একমাত্র আল্লাহর পক্ষেই সম্ভব সেটা।
“নাকি তিনিই শ্রেষ্ঠ, যিনি আর্তের ডাকে সাড়া দেন, বিপদ দূও করেন ….” [ সূরা আন-নামল, ২৭:৬২ ]
দুশ্চিন্তা ও দুর্দশা থেকে মুক্তির দাওয়াই হচ্ছে বেশি বেশি আল্লাহর স্মরণ বা যিকর করা; বিশেষ করে সকালে ও সন্ধ্যায়।
“আল্লাহর একত্বে বিশ্বাসীরা, আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো। আর সকাল সন্ধ্যায় তার মহিমা ও পবিত্রতা বর্ণনা করো।” [ সুরা আল-আহযাব, ৩৩:৪১-৪২ ]
তবে খেয়াল রাখতে হবে, আল্ল্হর স্মরণ বা যিকর যেন আল্লাহ যেভাবে শিখিয়েছেন সেভাবে ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে না হয়।
“আল্লাহকে সেভাবেই স্মরণ করবে যেভাবে তিনি তোমাদের শিখিয়েছেন, যা তোমরা আগে জানতে না।” [ সূরা আল-বাকারাহ, ২:২৩৯ ]
কাজেই, মনগড়া কোনো উপায়ে আল্লাহর যিকর করলে চলবে না; সেটা আমাদের যতই ভালো লাগুক না কেন। সুস্পষ্টভাবে তিনি আমাদের যেভাবে বলে দিয়েছেন সেভাবেই তাকে স্মরণ করতে হবে। আর একারণেই এই বইতে যেসব দু’আ উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর সাথে যথাযথ প্রমাণও উল্লেখ করা হয়েছে।
যথাসাধ্য বিনম্রতার সাথে দু’আ গুলো মন থেকে পড়লে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন, ইনশা’ আল্লাহ।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তার যিকর করার ও কৃতজ্ঞ হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।