জউন এলিয়ার জীবনের অন্যতম ট্র্যাজিক এবং আলোচিত অধ্যায় হলো তার স্ত্রী, প্রখ্যাত কলামিস্ট জাহিদা হিনার সাথে বিচ্ছেদ। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে, যা তাকে মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত করে তোলে।
বিচ্ছেদের পর তিনি প্রায় ১০ বছর নিজেকে তার করাচির বাসায় অনেকটা "গৃহবন্দী" করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং কেবল পড়াশোনা ও লেখালেখিতে ডুবে থাকেন।
বলা হয়, এই একাকীত্বই তার কলমকে আরও তীক্ষ্ণ এবং বিষণ্ণ করে তুলেছিল। তার অধিকাংশ কালজয়ী কবিতা—যেখানে শূন্যতা, মৃত্যু এবং অস্তিত্বের সংকট ফুটে উঠেছে—তা এই নির্বাসিত জীবনেরই ফসল।