ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি যেমনিভাবে ইলমি ময়দানে উচ্চ মর্যাদা অর্জন করেছেন। তেমনি ভাবে তাকওয়া পরহেজগারিতা পূর্ণতা হাসিল করেছে। তিনি বলতেন,যখন থেকে জেনেছি গীবত করা হারাম। তখন থেকে আমি কারও গীবত করিনি। ইনশাআল্লাহ গীবতের ব্যাপারে কেয়ামতের দিন আমি জিজ্ঞাসিত হব না। এ পর্যায়ে এসে আমরা পাঠকদেরকে বলব যার মূল্যবান কিতাব আপনারা পড়েন তিনি তো কারও গীবত করেননি। অথচ আমরা রাতদিন গীবতে লিপ্ত। এ বিষয়ে আমাদের কি কাজে আসবে? কারও গীবত করার পূর্বে দেখে নেওয়া দরকার আমরা যার গীবত করছি তার তো কোন ক্ষতি হবেনা। বরং ক্ষতি হবে নিজের। গীবত করার কারণে কিয়ামতের দিন অন্যান্য লোকদেরকে নিজেদের পণ্যের ওপর অধিকার দেওয়া হবে।