রাজধানী দিল্লি এখন শোকের নগরী। শহরের বিভিন্ন গলিঘুপচিতে মূর্ত হয়ে উঠছে কান্নার সুর। শোকের পোশাকে সজ্জিত রাজপ্রাসাদের সেবক- সেবিকারা। সবার চোখেমুখে কান্নার ছাপ। কাঁদতে কাঁদতে তাদের একেকজনের চেহারা অসুস্থ মানুষের মতো সাদা হয়ে গেছে। তাদের ভেতর- বাইরে যেন বয়ে চলছে বেগবান দুঃখঝর্না। কত ভালো মানুষই না ছিলেন শাহজাদা! রাজসেবিকারা পরস্পরে কথা বলছে। 'প্রাসাদের সেবিকাদেরকে তিনি বাজারি মেয়েদের মতো ব্যবহার করেননি। নৃত্যগীতের মাহফিলে তিনি আমাদের নাচের মুদ্রাও চেখে দেখার ইচ্ছে করেননি। কখনো তিনি কি আমাদের মেহেদীরাঙা হাতে মদপান করতে চেয়েছেন? পাপীদের বসতিতে এক ফেরেশতা এসেছিলেন। আল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে কাছে ডেকে নিয়েছেন।' 'এখনই দিল্লির উত্তরাধিকারী মনোনীত হবেন রুকুনুদ্দীন।' এক সেবিকা রাজ্যের ভয় নিয়ে ইতিউতি করতে করতে বলল,