পুতিন’স মাস্টার প্লান
এই বইটি ভ্লাদিমির পুতিনের সামগ্রিক গ্লোবাল স্ট্যাটেজিকে সুশৃঙ্খলভাবে ব্যাখ্যা করার প্রথম বৃহৎ প্রচেষ্টা। ভ্লাদিমির পুতিনের কার্যক্রমের ফলে ইতিমধ্যেই ন্যাটো জোটে অনৈক্যের আভাস লক্ষ করা যাচ্ছে। চূড়ান্তভাবে পশ্চিমাদের সাথে রাশিয়ার সর্বাত্মক যুদ্ধের সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে পশ্চিমের কাছে ‘অকার্যকর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞ এবং প্রতীকী কিছু ‘পদক্ষেপ’ ছাড়া পুতিনের সর্বাত্মক আগ্রাসন মোকাবিলার কোনো সুসংহত স্ট্যাটেজি, সূক্ষ্ম পরিকল্পনা কিংবা কার্যকরী কোনো কৌশল নেই। ভ্লাদিমির পুতিনের মূল উদ্দেশ্য আমেরিকা ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যকার ট্রান্স আটলান্টিক সম্পর্কে ভাঙন সৃষ্টি করা, ন্যাটো জোটে ফাটল ধরানো ও একে অকার্যকর করে ফেলা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐকাকে বিনষ্ট করা এবং ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে এমনকি তার বাইরেও রাশিয়ার আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। সর্বোপরি এসবের মাধ্যমে একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার সূচনা করা।
আফটার ইউরোপ
রোমাঞ্চকর এই বইটিতে খ্যাতনামা রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইভান ক্রান্তেভ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ এবং এর সম্ভাব্য সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন। এই মহাদেশজুড়ে বিভিন্ন উগ্র ডান জাতীয়তাবাদী দলের উত্থান, ব্রেক্সিট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা, পারস্পরিক সন্দেহ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন-সহ এমন অনেক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যেগুলো খুব কমই আলোচনায় আসে। ক্রাস্তেভ ইউরোপের প্রধান প্রধান সমস্যা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়া থেকে ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি অভিবাসীদের দ্বারা উদ্ভূত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, উগ্র ডানপন্থার বিস্তার এবং ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়ার সৃষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক হুমকি ইত্যাদি-সহ ইউরোপের ভবিষ্যৎ ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষণ করে এমন উপসংহারে পৌঁছেছেন, যা পশ্চিমের জন্য রীতিমতো আশঙ্কাজনক ও ভীতিপ্রদ। কী আছে ইউরোপের ভবিষ্যতে? কোন দুর্যোগের ঘনঘটা ইউরোপের আকাশে। ইউরোপ কি মুক্তি পাবে এই আশু বিপদ থেকে? নাকি তৃতীয়বারের মতো এখান থেকেই বেজে উঠবে বিশ্বযুদ্ধের ডঙ্কা? বইটি পড়া শেষ হলে আপনিই তার উত্তর দিতে পারবেন।