খরতাপ আর অনাবৃষ্টিতে জমিন চৌচির কিংবা মানবের অন্তঃপুরে বাসা বাধে কালো দাগ, সারা বছর পাপ-অপরাধ, অন্যায়-উৎপীড়ণ করতে করতে বান্দা যখন ক্লান্তিতে ন্যুব্জ; কেউ আবার ফিরে আসতে চায় হিদায়াতের পথে, মুক্ত হতে চায় সকল জঞ্জাল ও পংকিলতা থেকে; আবার কেউ নিজের পথেই অটল থাকে কিন্তু হিদায়াতের নূর তাকে তাড়া করে, এগিয়ে আসে তার দিকে; অভাবী কিংবা অনাহারী সকলের শুকনো হাসিকে সজ্জিত করতে এগিয়ে আসে একজন; কে সে?
রমাযান!বিশ্বস্রষ্টার সেরা উপহার এই রমাযান।
বিখ্যাত অনেক মনীষীই রমাযানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বই লিখেছেন। তবে তবুও আমাদের মনে থেকে যায় কত শত প্রশ্ন, কত অজানা ভয়ের উত্তর মিলে না, কত জিজ্ঞাসা থাকে। আরবের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন ও কিবারুল উলামার একজন ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহিমাহুল্লাহ; সাধারণ আমাদের জন্যই সংকলন করেছেন সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে আসা প্রশ্নের উত্তরগুলো। বাংলাভাষী জনসাধারণের জন্য বইটির অনুবাদ করেছেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন শাইখ মুখলিসুর রহমান বিন মানসুর মাদানী হাফিযাহুল্লাহ।
নাবী ﷺ বলেন: রোযা ঢালস্বরূপ। মুসলিম জাতিকে পরিশু× হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ দিতেই আসে রমাযান। রমাযান শেষে তাই তো পরিশু× মানুষগুলো নিষ্কলুষতা অর্জন করে।
বইটিতে ১০০ এর অধিক প্রশ্নোত্তর রয়েছে। শেষে রমাযানের মাসআলা সংক্ষিপ্তভাবে সারাংশ দেওয়া হয়েছে।