মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস (৪র্থ খণ্ড) — সাহাবায়ে কেরামের সংবেদনশীল ইতিহাস ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের এক অনন্য দলিল
ইসলামি ইতিহাসের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক এবং একই সাথে সংবেদনশীল অধ্যায় হলো খেলাফতে রাশেদার মধ্যবর্তী ও শেষ সময়টুকু। এই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সাধারণ পাঠকদের মনে অনেক প্রশ্ন এবং সংশয় থাকে। মাওলানা ইসমাইল রেহান রচিত ‘মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস’ সিরিজের ৪র্থ খণ্ডটি সেই সব অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর ও বিভ্রান্তি দূর করতে এক অসামান্য গবেষণা।
এই খণ্ডে যা আলোচনা করা হয়েছে:
ইতিহাস বিশ্লেষণের মূলনীতি: ইতিহাস অধ্যয়ন এবং কোনো বর্ণনা গ্রহণ বা বর্জনের ক্ষেত্রে যে বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক মূলনীতি অনুসরণ করা উচিত, তার বিস্তারিত রূপরেখা।
মুশাজারাতে সাহাবা ও আদালতে সাহাবা: সাহাবায়ে কেরামের মধ্যকার পারস্পরিক মতভেদ এবং তাঁদের ন্যায়পরায়ণতার বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিশ্লেষণ।
সাবায়ি ফিতনা: ইসলামের ইতিহাসে ফিতনার বীজ কীভাবে বপন করা হয়েছিল এবং আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার নেতিবাচক ভূমিকা।
হযরত আলি (রা.)-এর খেলাফতকাল: চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা.)-এর শাসন আমল, চড়াই-উতরাই এবং তাঁর বীরত্বগাথা।
জঙ্গে জামাল ও জঙ্গে সিফফিন: ইতিহাসের অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই যুদ্ধ দুটির প্রকৃত কারণ, প্রেক্ষাপট এবং ঘটনার নিরপেক্ষ ঐতিহাসিক বিবরণ।
যাঁরা ইসলামের ইতিহাসের এই জটিল বাঁকগুলো অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বুঝতে চান, তাঁদের জন্য ৪র্থ খণ্ডটি সংগ্রহ করা অপরিহার্য। এই একটি খণ্ড আপনাকে অনেক অপপ্রচার ও ভুল ধারণা থেকে মুক্ত করবে।