আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী যে,তিনি আমার মত একজন নগণ্য বান্দাকে এমন একজন মহামণিষীর জীবনের শেষ দেড়টি বৎসর খেদমত করার তৌফিক দান করেছেন। যিনি শুধু লালবাগই নয়; বরং দেশের মাদ্রাসাসমূহের বড় বড় অনেক খ্যাতনামা আলেমগণের উস্তাদ। তার ইলমের কথা কি বলব,অনেক মুফতী সাহেবরা এসে হুজুরের নিকট প্রত্যাশিত ফতওয়ার সমাধান বুঝে নিতেন। কিতাব পাঠদানের ক্ষেত্রে তিনি যেন শিশুকে খাবার খাওয়াচ্ছেন। আদরে সোহাগে বাবা-বাবা ডেকে তিনি কিতাব পাঠ দান করতেন। বৃদ্ধ বয়সেও তিনি উচ্চ স্বরে মধুর কণ্ঠে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কিতাব পড়াতেন। তার উচ্চ আওয়াজের ফলে দরসে কোন ছাত্রের ঘুম আসা তো দূরের কথা ঝিমুনিও আসতোনা। তিনি হলেন আমাদের প্রিয় উস্তাদ হযরত আল্লামা মুজিবুর রহমান সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি। যিনি সকল ছাত্রের নিকট বাবা হুযূর নামে পরিচিত ছিলেন।