প্রাচীনকাল থেকেই ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এ মূল্যবোধের আলোকে সমাজের ব্যক্তিবর্গ অসহায় মানুষের কল্যাণে এগিয়ে এসেছে। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানে বা একে অপরের কল্যাণে এককভাবে অথবা দলীয়ভাবে কাজ করেছে। এভাবে মানুষের সাময়িক সমস্যা সমাধানের মধ্য দিয়েই প্রাচীনকালে সমাজকল্যাণের যাত্রা শুরু হয়। সময়ের বিবর্তনে মানবসমাজে পরিবর্তন দেখা দেয়। সমাজব্যবস্থা জটিল থেকে জটিলতর হয়। সমাজে নানামুখী সমস্যা উদ্ভব হয়।
এসব সমস্যা সমাধানে জনকল্যাণকামী মানুষ সমস্যার কারণ খুঁজে তা সমাধানের চেষ্টা করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একসময় সমস্যা সমাধানের কার্যকরী পন্থা আবিষ্কৃত হয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা। যার ওপর ভিত্তি করে মানুষ গড়ে তুলেছে জনকল্যাণের নতুন পন্থা, সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে আধুনিক যুগের শিল্পায়ন ও শহরায়নের ফলে উদ্ভূত নতুন ও জটিল সমস্যাসমূহের সমাধান যখন গতানুগতিক সমাজকল্যাণ কার্যক্রম দ্বারা মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন উদ্ভূত নতুন এবং জটিল সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধানের লক্ষ্যেই সমাজকর্মের অভ্যুদয়।