দাম্পত্য জীবন বা একই পথে দুটি দেহের যাত্রাকে কীভাবে ফ্রেমিং করা হবে, তার উপর নির্ভর করে পারিবারিক জীবনের সুখ-শান্তি। যদি আপনি একে ফ্রেমিং করেন অপার সুখ-আনন্দের এক অনিঃশেষ যাত্রা হিসেবে, তাহলে সামান্য মনোমালিন্যই আপনার আশার গুড়ে বালি ঢেলে দেবে।
আর যদি আপনি একে ফ্রেমিং করেন ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের একটি ভিন্নরূপ হিসেবে, তাহলে কোনো মনোমালিন্যই কষ্ট দেবে না। আপনি বরং সেই মনোমালিন্য বা কষ্টকে পরকালের পাথেয় মনে করবেন, সাওয়াবের আশা রাখবেন।
প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সন্তান প্রতিপালনকে আপনি কীভাবে ফ্রেমিং করছেন, সন্তানের ভবিষ্যতকে কীভাবে দেখছেন, এর উপরই অনেক কিছু নির্ভর করছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, দাম্পত্য সম্পর্ক বা পিতৃত্ব ও মাতৃত্ব সম্পর্ককে কেন নিজস্ব চিন্তার ফ্রেমে বন্দী করতে পারবেন না? কেন আপনাকে শরিয়ার ফ্রেমটাই নিতে হবে? কেন সেক্যুলার ব্যবস্থার ফ্রেম নেওয়া যাবে না?
এরপর কীভাবে আপনাকে সেই ফ্রেমের যত্ন নিতে হবে? কীভাবে ফ্রেমে বন্দী স্বপ্নকে বড় করে তুলতে হবে? ইত্যাদি বিষয়গুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আর তা নিয়েই হাতের বইটিতে আলোচনা করেছেন হাকিমুল উম্মাত আশরাফ আলি থানভি রহ.।