মহামারির প্রকোপে মানুষ এখন তটস্ত।
মহামারি কী,কেন, মহামারির ইতিহাস, পূর্ববর্তীদের উপর মহামারি কেন আবির্ভূত হয়েছে, তারা তখন নিজেদেরকে কীভাবে রক্ষা করেছেন, ইসলালি যুগের মহামারি, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মহামারি সংক্রান্ত হাদিস, সাহাবা-তাবেয়িদের যুগে মহামারি ও তাদের ঈমানি অবস্থান, বিভিন্ন সময়ের মহামারির নানান চিত্র, মানব ক্ষয়ক্ষতি, আধুনিক যুগে মহামারি ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, মহামরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক সমস্ত মাসআলা-মাসায়িল ও বিধি-বিধান পর্যালোচনা এবং সমাকালীন মহামারি করোনা ও তার থেকে পরিত্রাণ লাভ ইত্যাদি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা এখন সময়ের দাবী।
মহামারির এ সকল বিষয় নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ মূলক গ্রন্থ রচনা করছেন মিশর আল-আযহারে ইসলামিক ল্য বিভাগে অধ্যায়নরত মুফতি আবুল ওয়াফা শামসুদ্দিন আযহারী। মহামারির প্রত্যেকটি বিষয় তিনি কুরআন-হাদিস, নিজ গবেষণা ও আসলাফদের কিতাব থেকে সুনিপুণভাবে চুল-ছেড়া বিশ্লেষণ করেছেন। প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগ পর্যন্ত মহামারির ইতিহাস, মহামারির সময় চিকিৎসা পদ্ধতি, শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে মহামারি চলাকলীন সময়ে করণীয়-বর্জনীয়,মহামারি সংক্রান্ত মাসআল-মাসায়েল ও আহকাম, ইসলামে স্বাস্থ সচেতনতা, মহামারির সময় মানুষের সমাজিক দায়বদ্ধতা,বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের নির্যাতনের চিত্র ও তার বিশ্লেষণ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক বিশ্লেষণ তার এই গ্রন্থে উঠে এসেছে।
গ্রন্থকার মুফতি আবুল ওয়াফা শামসুদ্দিন আযহারী পূর্ণ বইটি প্রনিধানযোগ্য রেফারেন্স দিয়ে সর্বোচ্চ গ্রহণ যোগ্যতা সৃষ্টি করেছেন। আধুনিক যুগের প্রিন্ট ও এলিক্ট্রনিক মিডিয়া থেকে অগণিত তথ্য সংগ্রহ করে তিনি বইটিতে যুক্ত করেছেন। আমাদের জানা মতে মহামারি সম্পর্কে বাংলা ভাষায় এটিই প্রথম, একক ও মৌলিক গ্রন্থ। গ্রন্থটিতে রয়েছে, পাঁচটি অধ্যায় এবং প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে অসংখ্যা পরিচ্ছেদ। যে কোন পাঠক খুব দ্রুত ও অতি সহজেই তার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খুঁজে পাবেন এবং উপকৃত হতে পারবেন।ইনশাআল্লাহ।