অনুবাদক: মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন
[ফাযেলে দারুল উলূম দেওবন্দ, ভারত; এম.এ. আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত]
ইমাম ইবনুল-কাইয়্যিম (রহ.) বলেনঃ পাপী এবং পুণ্যবান উভয়ই দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়, কিন্তু উভয়ের বিদায় নেবার মাঝে পার্থক্য থাকে আকাশ পাতাল।’
.
মৃত্যু এমন এক বাস্তবতা, যা মানুষের মাঝে বিশাল রেখা টেনে দেয়। কেউ ভোগ করে আজীবন সুখ, কেউ-বা ভোগ করে নিদারুণ শাস্তি। রূহের জগতে প্রবেশ করা মাত্রই মানুষের নিকট উন্মোচিত হয়ে যায় দুনিয়ার আসল স্বরূপ। রূহ এমন এক সৃষ্টি, যা চোখে দেখা যায় না, ধরা যায় না, কোনো যন্ত্র দিয়ে মাপা যায় না। অথচ এটি এত মূল্যবান যে, দেহ ছেড়ে একবার চলে গেলে দেহের আর মূল্য থাকে না। আপন তখন পর হয়ে যায়, নিজের সবকিছু তখন অন্যের হয়ে যায়।
.
প্রশ্ন হচ্ছে, রূহ কী? এটি কি চিরস্থায়ী? মৃত্যুর পর এই রূহ কোথায় যায়? সেখানে কেমন হয় তার অবস্থা? কবরে তাকে কী কী বিষয়ের সম্মুখীন হতে হয়? মুনকার নাকিরের শাওয়াল জবাব, কবরের শাস্তি, কবরের জান্নাত, মোট কথা রূহের জগৎ নিয়ে চমৎকার এই বইটি লিখেছেন ইমাম ইবনুল-কাইয়্যিম (রহ.)। পাঠক এই বইতে রূহ এবং বারযাখী জীবন নিয়ে অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন।
"আর রূহ" বইটির সূচিপত্র:
প্রথম অধ্যায়
কবরবাসী যিয়ারতকারীকে চেনে বা তাদের সালাম শুনতে পায় কি ৯
দ্বিতীয় অধ্যায়
কবরবাসীদের আত্মা একে অপরের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত, আলাপ-আলােচনা করে কী ৩৫
তৃতীয় অধ্যায়
জীবন্ত ও মৃতের আত্মা পরস্পর মিলিত হয় কী ৪৩
চতুর্থ অধ্যায়
শুধু দেহ, নাকি আত্মাও মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে ৭৩
পঞ্চম অধ্যায়
দেহ থেকে আত্মা পৃথকের পর কীভাবে চেনা যায় ৮১
ষষ্ঠ অধ্যায়
কবরে প্রশ্নোত্তরের বেলায় মৃতের আত্মা কি দেহে ফিরিয়ে দেওয়া হবে ৮৯
সপ্তম অধ্যায়
কবর জগত নিয়ে নাস্তিক মুরতাদের প্রশ্নের জবাব ১৩৩ অষ্টম অধ্যায়
কবরের শাস্তির কথা কুরআনে উল্লেখ নেই কেন ১৭১
নবম অধ্যায়
কি কি কারণে কবরে শাস্তি হবে ১৭৭
দশম অধ্যায়
কি অবলম্বনে কবরের ভয়াবহ শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে ১৮৩