হযরত রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর যেহেতু আর কোনো নবী বা রাসুল দুনিয়াতে আগমন করবেন না, তাই নবী ও রাসুলগণের কাজের দায়িত্বভার আসে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর উম্মতের উপর।
আর সেই দায়িত্বভার নিয়ে রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে জগতে আগমন করেন বহু উলামা ও আওলিয়ায়ে কিরাম। তাদেরই একজন হলেন ভারতবর্ষের প্রখ্যাত দাঈ ও বুযুর্গ আলেম হযরতত্ত্বী মাওলানা ইলিয়াস সাহেব রহ.। যিনি আল্লাহ ভোলা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে জুড়ে দেয়ার লক্ষ্যে প্রবর্তন করেছেন এক অভিনব ও বরকতময় পদ্ধতি। যা বিশ্বময় তাবলীগ জামাআত বা দাওয়াতে দ্বীনের মেহনত হিসেবে পরিচিত। হযরতত্ত্বী রহ.-এর ইখলাস ও লিল্লাহিয়্যাতের উপমা তিনি নিজেই। আর তাই তো তার প্রবর্তিত মিশন বিশ্বব্যাপী নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহ ভোলা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে জুড়ে দেয়ার কাজ করে যাচ্ছে অব্যাহতভাবে। কিন্তু এই কাজের সাথে যুক্ত দ্বীনি ভাইদের থেকে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতিও ঘটেছে কখনো কখনো। যা সংশোধন করার লক্ষ্যে আকাবির উলামাদের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বহু আগ থেকেই। সেসব আকাবির উলামাদের একজন হলেন বক্ষমান কিতাবটির মূল রচয়িতা পাকিস্তানের স্বনামধন্য আলেম হযরত মাওলানা মুফতী সাঈদ আহমাদ হাফিজাহুল্লাহ। তিনি তার লিখনীর মাধ্যমে কিছু বিষয়ের সংশোধনী কামনা করেছেন।
তাই প্রিয় পাঠকের কাছে অনুরোধ থাকবে, বইটি পড়ার সময় হয়তো কোনো কোনো স্থানে গিয়ে মনে নানান প্রশ্ন দানা বাঁধতে পারে। সেক্ষেত্রে পক্ষ বিপক্ষের ধারণা থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণ বইটি পড়ুন, বুঝুন; অনুভব করুন হৃদয়ের গহীন থেকে এবং প্রশ্ন করুন নিজের বিবেককে।
বিশ্বাস করি, আপনার সকল ভুল ভেঙ্গে যাবে এবং দাওয়াতে দ্বীনের কাজে সঠিকভাবে পথ চলা সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।