আকাশ পাল্টা জবাব দিল, “একইভাবে নজরুল লিখেছিলেন, বিশ্বকে দেখব আমি, আপন হাতের মুঠোয় পুরে। তখন অসম্ভব মনে হলেও আজ প্রযুক্তি দিয়ে আমরা সত্যিই পৃথিবীকে হাতে ধরে দেখতে পাচ্ছি। তাহলে কি নজরুলও বিজ্ঞান জানতেন?”
আমি জানি, ইসলামবিদ্বেষীদেরকে যখনই কুরআন থেকে বিজ্ঞানময় আয়াত দেখানো হয় তখন তাদের একটি কমন যুক্তি থাকে কাজী নজরুলের কবিতার এই লাইন থেকে। আকাশ আমাকে পরীক্ষা করার জন্যই এই প্রশ্নটি তুলেছে।
তবে আমি রহস্যময়ভাবে হাসি দিয়ে বললাম, “তাহলে নজরুল কি কখনো দাবি করেছেন তার লেখা ঐশীগ্রন্থ?”
আমার এই পাল্টা প্রশ্নে আকাশ হকচকিয়ে গেল। ফারহান তামিম আরও অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।
এবার আমি নিজেই জবাব দিলাম, “করেনি। কারণ তিনি কবি হিসেবে ভবিষ্যতের কল্পনা করেছেন। আবার, তার কবিতায় ভুল থাকলেও আমরা তাকে বাতিল করি না। আর কুরআনের পার্থক্য এখানেই, যেটি ঐশী গ্রন্থ এবং ১৪০০ বছরেও তার কোনো বক্তব্য ভুল প্রমাণিত হয়নি, পরিবর্তনও হয়নি।”
আমার পক্ষ থেকে এমন জবাব আকাশ আশা করেনি। তাই কাশি দেয়ার অভিনয় করল। মনে মনে বললাম, কেমন দিলাম?
গল্প: কুরআনে বাইনারি ট্রাইনারি সোলার সিস্টেম, সৌরঝড় ও হাইড্রোজেন
বইঃ আকাশ দ্য বিলিভার (New Edition)
লেখকঃ আল-আমীন রুহান
প্রকাশনী: আশরাফুল মাখলুকাত