আপনারা জানেন এ মাহফিলের উদ্দেশ্যে কোন জ্ঞানগর্ব গবেষণা নয় বরং জানা বিষয়ের উপর যাতে আমলের তাওফীক হয়ে যায়। অনেক কিছুই আমরা জানি কিন্তু সে সবের উপর আমাদের আমল করার তাওফীক হয় না। তার কারণ একমাত্র বুযুর্গানে দ্বীনের সংশ্রব-সাহচর্য ও মজলিসে না বসা; অন্য কিছু নয়। বলা বাহুল্য, বুযুর্গানে দ্বীনের মজলিস বর্তমানে নেই বিধায় তাঁদের মজলিশের উপদেশগুলো শুনিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেন এ উপদেশই তাঁদের স্থলাভিষিক্ত হয়। কাজেই উপদেশ সব জিনিসের জন্যই সার নির্জাশ বা আতরের মত। অনেক সময় এতে মানুষ তার প্রতিপালকের পরিচয় লাভ করে।
বিশ বছর পর্যন্ত হযরতের মজলিসে বসার তাওফীক আমাদের নসীব হয়েছে। বাড়ীতে বড় বড় উলামায়ে কিরাম আসতেন। মনে হত, আজ অন্তরে সত্য প্রকাশিত হওয়ার প্রথমদিন। হযরত হাজী সাহেবের উসিলায় তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে এ মর্যাদা পেয়েছিলেন। যেমন, বড় মর্যাদা পেয়েছিলেন হযরত শিবলী (রহ.) ও হযরত জুনাইদ বাগদাদী (রহ.)। হযরতের দরবারে তরবিয়তের বিশেষ পদ্ধতি চালু ছিল। সবসময় যথারীতি সতর্ক করা হত।